মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

পুরাকীর্তির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

রাজশাহী বিভাগের উল্লেখযোগ্য পুরাকীর্তিসমূহ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সোনামসজিদ, নওগাঁ জেলার বৌদ্ধবিহার ও কুসুম্বা মসজিদ, রাজশাহীর পুঠিয়ার জমিদারবাড়ী, নাটোরের উত্তরা গণভবন ও জমিদারবাড়ী, বগুড়ার মহাস্থানগড়।

তাহেরপুর মন্দির

মাদুর্গার পৃথিবীতে প্রথম আবির্ভাব স্থল রাজশাহীর তাহেরপুর। মা দুর্গার জন্মস্বর্গে। ত্রেতাযুগে রাবণের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দশরথ পুত্র মহামতি রামমা দুর্গার অকালবোধন পূজা করেন। মা দুর্গা তাঁর পূজায় সন্তুষ্ট হয়ে রাবণবধের বর প্রদান করেন। মা দুর্গার বর পেয়ে রাম লঙ্কারাজ রাবণকে বধ করতেসক্ষম হন। ৮৮৭ বঙ্গাব্দে (১৪৮০ খ্রিস্টাব্দে) কংস নারায়ণের আহবানে মাদুর্গা সাধারণ্যে আবির্ভূত হন। এই সাহনে শরৎকালে আশ্বিন মাসের মহা ষষ্ঠীতিথিতে দেবীর বোধন হয়। ঐ পূজায় পৌরহিত্য করেছিলেন রাজপন্ডিত রমেশ শাস্ত্রী।মা দুর্গার প্রথম পদধূলিতে ধন্য এই পুণ্যভূমি। এই পুণ্যভূমি থেকেই শারদীয়দুর্গোৎসবের সূচনা।

 

 

 

ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ঐতিহাসিক নিদর্শন ও প্রতণসম্পদে সমৃদ্ধ একটি জেলা। প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড়ের রাজধানী হিসেবে শিবগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও দর্শনীয় নিদর্শন হিন্দু শাসন আমলে বিশেষ করে সেন বংশের শেষ রাজাদের খননকৃত দিঘী ও সুলতানী আমলে মুসলিম সুলতানদের নির্মিত মসজিদই এ উপজেলার প্রধান ঐতিহাসিক স্থাপনা। তাছাড়া বৃটিশ আমলে স্থানীয় জমিদারদেরও কিছু স্থাপনা শিবগঞ্জে দেখা যায়। এই জেলার ঐতিহাসিক সহাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ছোট সোনা মসজিদ (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিঃ মধ্যে নির্মিত), শিবগঞ্জ; দারসবাড়ি মসজিদ ও মাদ্রাসা (১৪৭৯ খ্রিঃ), শিবগঞ্জ; ধনাইচকের মসজিদ (১৫ শতকে নির্মিত), শিবগঞ্জ; খঞ্জনদীঘির মসজিদ (১৫ শতকে নির্মিত), শিবগঞ্জ; দাখিল দরওয়াজা (১২২৯ খ্রিঃ), শিবগঞ্জ; শাহ সুজার কাছাড়ি বাড়ি (১৬৩৯-১৬৬০ খ্রিঃ মধ্যে নির্মিত), শিবগঞ্জ; তোহাখানা মসজিদ (১৬৩৬-১৬৫৮ খ্রিঃ মধ্যে নির্মিত), শিবগঞ্জ; শাহ নেয়ামতুল্লাহ (রহঃ) এর মাজার (১৬৬৯ খ্রিঃ নির্মিত), শিবগঞ্জ; বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর মাজার (সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে ১৯৭১ খ্রিঃ নির্মিত), শিবগঞ্জ; কানসাট রাজবাড়ি, শিবগঞ্জ; চাঁপাই জামে মসজিদ (৮৯৩ হিজরিতে নির্মিত), সদর উপজেলা; মহারাজপুরের প্রাচীন মসজিদ (মুঘল আমলে নির্মিত), সদর উপজেলা; মাঝপাড়া প্রাচীন মসজিদ (১৭৭৫ খ্রিঃ নির্মিত), সদর উপজেলা; রামচন্দ্রপুরহাটের নীলকুঠি (১৮৫৯-৬১ খ্রিঃ, নীল বিদ্রোহের সাক্ষী) সদর উপজেলা; বারঘরিয়া কাছাড়ি বাড়ি (বর্তমানে বিলুপ্ত), সদর উপজেলা; বারঘরিয়া ও মহারাজপুর মঞ্চ, সদর উপজেলা; জোড়া মঠ (নির্মাণকাল অজ্ঞাত), সদর উপজেলা; নওদা বুরতজ, গোমসতাপুর; এক গম্বুজ বিশিষ্ট পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, গোমসতাপুর; শাহপুর গড় (বাদশাহি আমলের রাজধানী সুরক্ষা বেষ্টনী), গোমসতাপুর; জাগলবাড়ি ঢিবি (৮ম শতাব্দী), ভোলাহাট; ছোট জামবাড়িয়া দারতস সালাম জামে মসজিদ, ভোলাহাট; বড়গাছী দক্ষিণ টোলা বাজার জামে মসজিদ, ভোলাহাট; রেশম কুটির ও চিমনি, ভোলাহাট; আলী শাহ্পুর মসজিদ, নাচোল; রাজবাড়ি, নাচোল; কেন্দুয়া ঘাসুড়া মসজিদ, নাচোল; কলিহার জমিদারবাড়ি, নাচোল; মল্লিকপুর জমিদারবাড়ি, নাচোল।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)