মেনু নির্বাচন করুন

সাধনপুর পঙ্গুশিশু নিকেতন

     সাধনপুর পঙ্গুশিশু নিকেতন ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বারনই নদীর ধারে একটি মনোরম পরিবেশ পঙ্গু প্রতিবন্দি শিশুদের চিকিৎসা ও পুনঃবানের লক্ষে ‘‘একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’’ এই মূল মন্ত্রে জনাব মরহুম আব্দুল করিম এটি প্রতিষ্ঠা করেন। আব্দুল করিম সাহেবের বড় পুত্র আব্দুল মজিদ এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি। আব্দুল মজিদ সাহেবের একমাত্র কন্যা বেবি বালি অসুস্থ ও প্রতিবন্দি হলে তিনি মেয়েকে নিয়ে দেশ-বিদেশে বহু চিকিৎসা করেও মেয়েকে বাঁচাতে পারেন নাই। সেই খান থেকেই আব্দুল মজিদ সাহেবের উপলব্ধি হয়  প্রতিবন্ধি শিশুদের জন্য কিছু করার। আর এ থেকে প্রতিষ্ঠা করেন সাধনপুর পঙ্গু শিশু নিকেতন।

 

     খুব স্বল্প পরিসরে শুরু হলেও বর্তমানে এটি প্রায় ৩০ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। এখানে পর্যায় ক্রমে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি উচ্চবিদ্যালয়, একটি কলেজ, একটি সমন্নিত অন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাঠাগার এবং একটি শিশু পার্ক ইত্যাদি। স্বাস্থসেবার জন্য রয়েছে স্বাস্থ কমপে­ক্স, ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ব্যবস্থা। সব গরিব পঙ্গু প্রতিবন্ধি শিশুদের থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষন সহ পুনরবাসনের ব্যবস্থা।

 

     উত্তরে বারনই নদী, পূর্বে বিদির পুর খাল, পশ্চিমে পাকা রাস্তা, দক্ষিনে মাঠ, বিশাল ক্যাম্পাসে গড়ে উঠা এই প্রতিষ্ঠান যেমন মানব সেবার একাটি অনন্য দৃষ্টান্ত তেমনি এখান কার সৈন্দর্য মানুষকে মুগ্ধ করে। আব্দুল মজিদ সাহেবকে তাঁর  এই অসাধারন কাজের জন্য শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ ২০০৬ সালে সংর্বধনা প্রদান করেন।২০০৭ সালে ইউনি লিভার তাঁকে সাদা মনের মানুষ হিসেবে সম্মাননা প্রদান করেন।

কিভাবে যাওয়া যায়:

এটি জেলা সহর হতে ৫০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। উপজেলা পুঠিয়া বাস ষ্ট্যান্ড হতে প্রথমে বাসে ও পরে ভ্যান বা রিক্সায় করে সাধনপুর পঙ্গু শিশু নিকেতন অবস্থিত।


Share with :
Facebook Twitter